March 1, 2016

প্রাথমিক শিক্ষার পরিমার্জিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য




প্রাথমিক  পরিমার্জিত ল¶্য ও উদ্দেশ্য




প্রাথমকি  লক্ষ্য


শিশুর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, নৈতিক, মানবিক, নান্দনিক, আধ্যাত্মিক ও আবেগিক বিকাশ সাধন এবং তাদের দেশাত্ববোধে, বিজ্ঞানমনস্কতায়, সৃজনশীলতায় ও উন্নত জীবনের ¯^প্নদর্শনে উদ্বুদ্ধ করা।





প্রাথমকি শক্ষিার উদ্দশ্যে


১.            আল−াহ তা’য়ালা/সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস ও শিশুর মধ্যে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করা এবং সকল ধর্ম ও ধর্মাবলম্বীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।


২.            শেখার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টির



 মাধ্যমে শিশুর কল্পনা-শক্তি, সৃজনশীলতা ও   নান্দনিকবোধের উন্মেষে সহায়তা করা।


৩.            বিজ্ঞানের নীতি-পদ্ধতি ও প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জন, সমস্যা সমাধানে তার ব্যবহার এবং বিজ্ঞানমনস্ক ও অনুসন্ধিৎসু করে গড়ে তুলতে সহায়তা করা।


৪.            ভাষা ও যোগাযোগ দ¶তার বিকাশ এবং নিজেকে প্রকাশ করতে সহায়তা করা।


৫.            গাণিতিক ধারণা, যৌক্তিক চিন্তা ও সমস্যা সমাধানের যোগ্যতা অর্জনে সহায়তা করা।


৬.            সামাজিক ও সুনাগরিক হওয়ার গুণাবলি এবং বিশ্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনে সহায়তা করা।


৭.            ভালো-মন্দের পার্থক্য অনুধাবনের মাধ্যমে সঠিক পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করা।


৮.            অন্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া, পরমতসহিষ্ণুতা, ত্যাগের মনোভাব ও মিলেমিশে বাস করার মানসিকতা সৃষ্টি করা।


৯.            প্রতিকূলতা মোকাবেলার মাধ্যমে শিশুর আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করা।


১০.        নিজের কাজ নিজে করার মাধ্যমে শ্রমের মর্যাদা উপলব্ধি ও আত্মমর্যাদা বিকাশে সহায়তা করা।


১১.        প্রকৃতি, পরিবেশ ও বিশ্বজগৎ সম্পর্কে জানতে ও ভালবাসতে সহায়তা করা এবং পরিবেশ সংর¶ণে উদ্বুদ্ধ  করা।


১২.        নিরাপদ ও ¯^াস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে সচেষ্ট করা।


১৩.        জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ব্দ্ধু করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভালোবাসতে সাহায্য করা।



প্রাথমিক শি¶ার প্রান্তিক যোগ্যতা


১.       সর্বশক্তিমান আল−াহ তা’য়ালা/সৃষ্টিকর্তার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন, সকল সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসায়  উদ্দীপ্ত   হওয়া।

২.     
নিজ নিজ ধর্ম প্রবর্তকের আদর্শ এবং ধর্মীয় অনুশাসন অনুশীলনের মাধ্যমে নৈতিক ও চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন করা।

৩.       সকল ধর্ম ও ধর্মাবলম্বীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও ভ্রাতৃত্ববোধে উদ্দীপ্ত ও শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

৪.       কল্পনা, কৌত‚হল, সৃজনশীলতা ও বুদ্ধির বিকাশে আগ্রহী হওয়া।

৫.       সংগীত, চারু ও কারুকলা ইত্যাদির মাধ্যমে সৃজনশীলতা, সৌন্দর্যচেতনা, সুকুমারবৃত্তি ও নান্দনিকবোধের প্রকাশ এবং সৃজনশীলতার আনন্দ ও সৌন্দর্য উপভোগে সামর্থ্য অর্জন করা।

৬.       প্রকৃতির নিয়মগুলো জানার মাধ্যমে বিজ্ঞানের জ্ঞান অর্জন করা।

৭.       বিজ্ঞানের নীতি ও পদ্ধতি এবং যৌক্তিক চিন্তার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের অভ্যাস গঠন এবং বিজ্ঞানমনস্কতা অর্জন করা।

৮.       প্রযুক্তি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কে জানা ও প্রয়োগের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান  উন্নয়ন করা।


৯.       বাংলা ভাষার মৌলিক দ¶তা অর্জন এবং জীবনের সর্ব¶েত্রে তা কাযর্ক


রভাবে ব্যবহার করা।


১০.    বিদেশি ভাষা হিসেবে  ইংরেজি ভাষার মৌলিক দ¶তা অর্জন ও ব্যবহার করা।

১১.    গাণিতিক ধারণা ও দ¶তা অর্জন করা।

১২.    যৌক্তিক চিন্তার মাধ্যমে গাণিতিক সমস্যার সমাধান করতে পারা।

১৩.    মানবাধিকার, আন্তর্জাতিকতাবোধ, বিশ্বভ্রাতৃত্ব ও বিশ্বসংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী ও শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

১৪.    ¯^াধীন ও মুক্তচিন্তায় উৎসাহিত হওয়া এবং গণতান্ত্রিক রীতিনীতি অনুশীলন করা।

১৫.    নৈতিক ও সামাজিক গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে ভালো-মন্দের পার্থক্য নিরূপণ এবং তা বান্তব জীবনে প্রয়োগ করা।

১৬.    ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও সংর¶ণে যতœশীল হওয়া।

১৭.    বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুসহ নারী-পুরুষ, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সঙ্গে স¤প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থানের মানসিকতা অর্জন করা।

১৮.    অন্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে ত্যাগের মনোভাব অর্জন ও পরমতসহিষ্ণুতা প্রদর্শন এবং মানবিক

গুণাবলি অর্জন করা।

১৯.    সামাজিক কর্মকান্ডে সμিয় অংশগ্রহণ এবং নিজের দায়িত্ব ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া।

২০.    প্রতিক‚লতা ও দুর্যোগ সম্পর্কে জানা এবং তা মোকাবেলায় দ¶ ও আত্মপ্রত্যয়ী হওয়া।

২১.    নিজের কাজ নিজে করা এবং শ্রমের মর্যাদা দেওয়া।

২২.    প্রকৃতি, পরিবেশ ও বিশ্বজগৎ সম্পর্কে জানা ও ভালোবাসা এবং পরিবেশের উন্নয়ন ও সংর¶ণে উদ্বুদ্ধ হওয়া।

২৩.    আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তনের সমস্যা মোকাবেলায় ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণে সচেষ্ট হওয়া।

২৪.    মানুষের মৌলিক চাহিদা ও পরিবেশের ওপর জনসংখ্যার প্রভাব এবং জনসম্পদের গুর“ত্ব  সম্পর্কে জানা।

২৫.    শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাধন এবং নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করা।

২৬.    নিরাপদ ও ¯^াস্থ্যকর জীবন যাপনের অভ্যাস গঠন করা।

২৭.    মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধে উদ্দীপ্ত হওয়া এবং ত্যাগের মনোভাব গঠন ও  দেশ গড়ার কাজে সμিয় অংশগ্রহণ করা।

২৮.    জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা এবং এগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া ।

২৯.    বাংলাদেশকে জানা ও ভালোবাসা।







Post a Comment