সবার কাছে মান সম্মত কন্টেন্ট, আপডেট তথ্য, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য সমুহ এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ম্যাণুয়াল পৌছে দেয়ার ক্ষুদ্র প্রয়াস,
November 26, 2017
November 25, 2017
জানেন কি? কেন ৬০ সেকেন্ডে মিনিট, ৬০ মিনিটে ঘণ্টা?
কেন ৬০ সেকেন্ডে মিনিট, ৬০ মিনিটে ঘণ্টা?
কেন এক মিনিটকে ভাগ করে ৬০ সেকেন্ড ধরা হয়েছে। বা উল্টোভাবে বললে কেন ৬০ সেকেন্ড মিললে এক মিনিট হয়? কেন এক ঘণ্টাকে ৬০ মিনিট ধরা হয়েছে?
১০০ মিনিটেও তো এক ঘণ্টা হতে পারত। কিংবা ১০০ সেকেন্ডে মিনিট? সংক্ষেপে উত্তরটি হচ্ছে, হাজার হাজার বছর ধরে এই পদ্ধতি চলে আসছে। কেন ঠিক এই ২৪ ও ৬০-এর পদ্ধতিই চালু হয়েছে, তার পেছনে ইতিহাসবিদরা কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছেন।
সংখ্যাগত
আমাদের ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি এসেছে হাতের ১০টি আঙ্গুল ব্যবহার করে গণনা করার সুবিধার্থে। আজ থেকে অন্তত ৫,০০০ বছর আগে, সুমেরীয় সভ্যতায় জটিল গাণিতিক এবং জ্যামিতিক হিসাবের জন্য দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির পরিবর্তে ১২ এবং ৬০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করতো।
১০ ভিত্তিক পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা হলো, ১০ কে শুধুমাত্র ২ ও ৫ ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে ভাগ করা যায় না। সেই তুলনায় ১২ কে ২, ৩, ৪, ৬ দ্বারা এবং ৬০ কে ২ থেকে ৬ পর্যন্ত সবগুলো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়। ফলে এসব পদ্ধতিতে ভগ্নাংশের কাজ হিসেব করা বেশ সহজ ছিল।
এছাড়া সুমেরীয়রা এবং পরবর্তীতে ব্যাবলনীয়রা হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে বাকি চারটি আঙ্গুলের তিনটি করে বিভাজন হিসেব করে এক হাতে মোট ১২ পর্যন্ত গণনা করত। এক হাতের ১২টি সংখ্যাকে অন্য হাতের ৫টি আঙ্গুল দ্বারা গুণ করলে দুই হাতে সর্বোচ্চ ৬০ পাওয়া যায়। এটিও মিনিট-সেকেন্ডে ৬০ সংখ্যাটি নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে।
জ্যামিতি ও জ্যোতির্বিদ্যা
সুমেরীয় সভ্যতার পতনের পর খ্রিস্টপূর্ব অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্যাবলনীয়রা কোণ পরিমাপের জন্য ডিগ্রী আবিস্কার করে। সে সময় তাদের ধারণা ছিল পৃথিবী ৩৬০ দিনে একবার সূর্যকে আবর্তন করে। অর্থাৎ যদি প্রতিদিনের কৌণিক আবর্তনকে ১ ডিগ্রি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, তাহলে পূর্ণ আবর্তনে ৩৬০ ডিগ্রি সম্পন্ন হয়।
ইতিহাসবিদরা ধারণা করেন, এখান থেকেই বৃত্তের ৩৬০ ডিগ্রির ধারণাটি আসে।
বৃত্তের এক ষষ্ঠাংশ, অর্থাৎ ৬০ ডিগ্রি প্রকৃত কোণ গঠন করে। অর্থাৎ ৬০ ডিগ্রী করে বৃত্তের অভ্যন্তরে ছয়টি ত্রিভুজ আঁকলে প্রতিটি ত্রিভুজ সমবাহু হয়। এ কারণে তখন থেকেই জ্যামিতি এবং জ্যোতির্বিদ্যায় ৬০ সংখ্যাটির বিশেষ গুরুত্ব ছিল।
৩৩৫ থেকে ৩২৪ খ্রিস্টপূর্বের মধ্যে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের বিশাল এলাকা বিজয়ের ফলে ব্যাবিলনের জ্যোতির্বিদ্যা গ্রীসে এবং ভারতীয় উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ইসলামের আবির্ভাবের পর মুসলিম বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদরাও রোম এবং ভারত থেকে ১২ এবং ৬০ ভিত্তিক সময় পরিমাপের পদ্ধতি গ্রহণ করেন। এভাবে ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী এই পদ্ধতি বিস্তার লাভ করে।
কেন এক মিনিটকে ভাগ করে ৬০ সেকেন্ড ধরা হয়েছে। বা উল্টোভাবে বললে কেন ৬০ সেকেন্ড মিললে এক মিনিট হয়? কেন এক ঘণ্টাকে ৬০ মিনিট ধরা হয়েছে?
১০০ মিনিটেও তো এক ঘণ্টা হতে পারত। কিংবা ১০০ সেকেন্ডে মিনিট? সংক্ষেপে উত্তরটি হচ্ছে, হাজার হাজার বছর ধরে এই পদ্ধতি চলে আসছে। কেন ঠিক এই ২৪ ও ৬০-এর পদ্ধতিই চালু হয়েছে, তার পেছনে ইতিহাসবিদরা কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছেন।
সংখ্যাগত
আমাদের ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি এসেছে হাতের ১০টি আঙ্গুল ব্যবহার করে গণনা করার সুবিধার্থে। আজ থেকে অন্তত ৫,০০০ বছর আগে, সুমেরীয় সভ্যতায় জটিল গাণিতিক এবং জ্যামিতিক হিসাবের জন্য দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির পরিবর্তে ১২ এবং ৬০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করতো।
১০ ভিত্তিক পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা হলো, ১০ কে শুধুমাত্র ২ ও ৫ ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে ভাগ করা যায় না। সেই তুলনায় ১২ কে ২, ৩, ৪, ৬ দ্বারা এবং ৬০ কে ২ থেকে ৬ পর্যন্ত সবগুলো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায়। ফলে এসব পদ্ধতিতে ভগ্নাংশের কাজ হিসেব করা বেশ সহজ ছিল।
এছাড়া সুমেরীয়রা এবং পরবর্তীতে ব্যাবলনীয়রা হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে বাকি চারটি আঙ্গুলের তিনটি করে বিভাজন হিসেব করে এক হাতে মোট ১২ পর্যন্ত গণনা করত। এক হাতের ১২টি সংখ্যাকে অন্য হাতের ৫টি আঙ্গুল দ্বারা গুণ করলে দুই হাতে সর্বোচ্চ ৬০ পাওয়া যায়। এটিও মিনিট-সেকেন্ডে ৬০ সংখ্যাটি নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে।
জ্যামিতি ও জ্যোতির্বিদ্যা
সুমেরীয় সভ্যতার পতনের পর খ্রিস্টপূর্ব অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্যাবলনীয়রা কোণ পরিমাপের জন্য ডিগ্রী আবিস্কার করে। সে সময় তাদের ধারণা ছিল পৃথিবী ৩৬০ দিনে একবার সূর্যকে আবর্তন করে। অর্থাৎ যদি প্রতিদিনের কৌণিক আবর্তনকে ১ ডিগ্রি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, তাহলে পূর্ণ আবর্তনে ৩৬০ ডিগ্রি সম্পন্ন হয়।
ইতিহাসবিদরা ধারণা করেন, এখান থেকেই বৃত্তের ৩৬০ ডিগ্রির ধারণাটি আসে।
বৃত্তের এক ষষ্ঠাংশ, অর্থাৎ ৬০ ডিগ্রি প্রকৃত কোণ গঠন করে। অর্থাৎ ৬০ ডিগ্রী করে বৃত্তের অভ্যন্তরে ছয়টি ত্রিভুজ আঁকলে প্রতিটি ত্রিভুজ সমবাহু হয়। এ কারণে তখন থেকেই জ্যামিতি এবং জ্যোতির্বিদ্যায় ৬০ সংখ্যাটির বিশেষ গুরুত্ব ছিল।
৩৩৫ থেকে ৩২৪ খ্রিস্টপূর্বের মধ্যে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের বিশাল এলাকা বিজয়ের ফলে ব্যাবিলনের জ্যোতির্বিদ্যা গ্রীসে এবং ভারতীয় উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ইসলামের আবির্ভাবের পর মুসলিম বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদরাও রোম এবং ভারত থেকে ১২ এবং ৬০ ভিত্তিক সময় পরিমাপের পদ্ধতি গ্রহণ করেন। এভাবে ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী এই পদ্ধতি বিস্তার লাভ করে।
July 11, 2017
১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত সকল বিষয়ের শিক্ষক সহায়িকা PDF ফরমেট
১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত সকল বিষয়ের শিক্ষক সহায়িকা PDF ফরমেট
প্রথম শ্রেণি জন্য এখানে ক্লিক
দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য এখানে ক্লিক
তৃতীয় শ্রেণি জন্য এখানে ক্লিক
চতুর্থ শ্রেণি জন্য এখানে ক্লিক
পঞ্চম শ্রেণি জন্য এখানে ক্লিক
July 5, 2017
June 25, 2017
বিশ্বব্যাপী ইনোভেটিভ এডুকেটর (MIE) এক্সপার্ট নির্বাচন
মাইক্রোসফটের একটি অনলাইনভিত্তিক এডুকেটর কমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম আছে।
সেখানে শিক্ষা ও জীবন দক্ষতার পাশাপাশি অন্যান্য নানা বিষয়ে আকর্ষণীয় কোর্স
ও টিচিং লার্নিং রিসোর্স রয়েছে। আমরা মনে করি একবিংশ শতাব্দীর আইসিটিতে
দক্ষ শিক্ষক হিসেবে এই রিসোর্সগুলোর ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী। সম্প্রতি
মাইক্রোসফট তার পার্টনারদের সহায়তায় বিশ্বব্যাপী ইনোভেটিভ এডুকেটর (MIE) এক্সপার্ট নির্বাচন করছে।
নিজেই এই নমিনেশনের জন্য আবেদন করা যাবে আগামী ১৫ জুলাই ২০১৭ তারিখ
পর্যন্ত। বাংলাদেশ থেকে আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে চাই। তাই আগ্রহী
প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের সকল শিক্ষককেই আবেদনের জন্য অনুরোধ জানানো হলো।
নির্বাচিত দক্ষ শিক্ষকদের নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানা কর্মসূনী
গৃহীত হবে। আবেদনের শর্তাবলী নিম্নরূপ:
যে কোন সহযোগিতার জন্য এখানে ইমেইল করুন:
- Microsoft Educator Community তে একটি একাউন্ট খোলা। এবং তা নিজের ফেসবুকে, গুগল প্লাস অথবা টুইটারে শেয়ার করা।
- ১০০০ পয়েন্ট অর্জন করা। (প্রচুর কোর্স রয়েচে। পয়েন্ট অনুযায়ী দু একটি কোর্স করে নিতে হবে। )
- ২ মিনিটের একটি ভিডিও তৈরি যেখানে ৩টি বিষয় উল্লেখ থাকবে: ১) কেন আমি নিজেকে একজন মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট করতে চাই? ২) কিভাবে আমরা মাইক্রোসফট টেকনোলজিকে ক্লাসে কাজে লাগাচ্ছি? ৩) আমি একজন MIE-Expert হলে তা আমার বর্তমান পেশাকে কিভাবে প্রভাবিত করবে?
ইংরেজিতে এর বিস্তারিত নির্দেশনা ও আবেদন ফরম পেতে ক্লিক করুন
যে কোন সহযোগিতার জন্য এখানে ইমেইল করুন:
sujonanu@gmail.com
Subscribe to:
Posts (Atom)













